Be yourself; Everyone else is already taken.
— Oscar Wilde.
This is the first post on my new blog. I’m just getting this new blog going, so stay tuned for more. Subscribe below to get notified when I post new updates.
Be yourself; Everyone else is already taken.
— Oscar Wilde.
This is the first post on my new blog. I’m just getting this new blog going, so stay tuned for more. Subscribe below to get notified when I post new updates.
পাবলিক পরিষেবা তে এ.সি বাস।।
বর্তমান ব্যস্ত জীবনে আমাদের নিত্য দৈনন্দিন কাজের ভিড়ে সময়ের খুব অভাব। স্কুল, কলেজ, অফিস বা অন্যান্য বিভিন্ন কাজ সময় অনুসারে করতে যানবাহন একান্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। আমাদের ব্যস্ত শহর কলকাতার একমাত্র সহজ উপায় হলো পাবলিক বাস।সেক্ষেত্রে এ.সি বাসের জুরি মেলা ভার। ভাড়া বেশি, তাতে কী! গায়ে ফোসকা পড়া গরম থেকে বাঁচতে শহরে বাতানুকূল বাসে যাত্রীসংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। পরিবহণ দপ্তর সূত্রে খবর, শহরে আপাতত এসি বাসের সংখ্যা সাড়ে তিনশোর কাছাকাছি। এই সব বাসে প্রতিদিন গড়ে আড়াই লক্ষের বেশি যাত্রী যাতায়াত করছেন।

বাসে উঠে সিটে বসলেই হল। ৭ টাকা থেকে যেখানে শুরু সাধারণ বাসের ভাড়া,এ.সি বাস সেখানে ২০ টাকা থেকে শুরু। ভাড়া বেশি ঠিকই, কিন্তু তাতে কি। স্বাচ্ছন্দ্য ও দেবে আপনাকে সেরকম। কলকাতা ভ্রমণের জন্য ও যানবাহন হিসেবে বেছে নেওয়া হচ্ছে এই এ.সি বাস। এ.সি বাস সুরক্ষাও দেয় বেশি আপনাকে। বর্তমানে ইলেকট্রিক এ.সি বাস এসে গেছে।যা আপনাকে বহিরাগত সমস্ত শব্দ থেকে বিরত রাখে।এ.সি বাস এর সংখ্যা অনেক। ইলেকট্রিক এ.সি বাসের সংখ্যা বাড়ানো হোক। কারন এর দূষণের মাত্রা অনেক কম। যান দূষণ ও তার প্রতিকার নিয়ে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা স্বাগত জানিয়েছেন এই সরকারি উদ্যোগকে। সরকারের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

প্রবল গরমের পর বর্ষা এলে কার না ভালো লাগে! কিন্তু বর্ষাতে স্বস্তির সাথে আবার চিন্তার বিষয় হয়ে ওঠে চুলের সমস্যা। তাই দেরি না করে ত্বকের সাথে চুলের যত্ন নেওয়া শুরু করুন…

চুল শুকনো রাখুন
বৃষ্টির জল থেকে চুল বাঁচিয়ে রাখুন। কারণ বৃষ্টির জলে প্রচুর অ্যাসিড উপাদান থাকে, নোংরাও থাকে প্রচুর। তাই একান্ত ঝামেলায় না পড়লে বৃষ্টির জল চুলে না লাগতে দেওয়াই বাঞ্ছনীয়। বড়ো ছাতা বা হুড দেওয়া রেনকোট ব্যবহার করুন। যদি কোনওভাবেই বৃষ্টির জল এড়াতে না পারেন, তা হলে বাড়ি ফিরে শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার লাগিয়ে নেবেন।
সপ্তাহে দু’বার শ্যাম্পু করুন
কোমল, ডিপ ক্লেনজ়িং শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধীরে ধীরে মাসাজ করবেন, যাতে বৃষ্টির জলের কোনও নোংরা চুলে থেকে না যায়। এই মরশুমে চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক, তাই ভালো শ্যাম্পু দিয়ে সপ্তাহে দু’বার চুল ধুয়ে ফেলুন। তাতে চুল পুষ্টি পাবে, ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও হতে পারবে না।
নিয়মিত তেল মাসাজ দরকার
চুলে তেল লাগালে শুষ্কতা দূর হয়, ডিপ কন্ডিশনিংয়ের সুফলও মেলে। তবে অতিরিক্ত তেল লাগাবেন না, পরিমাণমতো তেল চুলে লাগিয়ে সারা রাত রেখে পরের দিন শ্যাম্পু করে নেবেন।
চুল শক্ত করে বেঁধে রাখবেন না
মরশুমের এই সময়টায় চুল বেশি বাঁধলে ভিতরে আর্দ্রতা জমে থাকে, চুল ন্যাতানো দেখায়। চুল মুখে পড়লে একটা টপ নট বা একটা আলগা বিনুনিই যথেষ্ট। একটানা অনেকক্ষণ চুল বেঁধে রাখবেন না।
সঠিক চিরুনি ব্যবহার করুন
মোটা দাঁড়ার চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ান, তাতে জট ছাড়ানো সহজ হবে। কন্ডিশনার লাগানোর পরেও চিরুনি দিয়ে চুলের জট ছাড়িয়ে নিন, তাতে গোটা চুলে সমানভাবে কন্ডিশনার ছড়িয়ে যেতে পারবে।
অতিরিক্ত কন্ডিশনার নয়
চুলের দৈর্ঘের মাঝামাঝি অংশ থেকে শেষভাগ পর্যন্ত কন্ডিশনার লাগান, তবে অতিরিক্ত কন্ডিশনার লাগানোর দরকার নেই। ঠান্ডা জল দিয়েই চুল ধোবেন।
চুল কেটে ফেলুন
এই সময়টাই চুল কেটে ফেলার পক্ষে সবচেয়ে ভালো। তাতে বাড়তি ঝামেলা মিটবে, চুলের শেপও সুন্দর থাকবে।
ত্বক উজ্জ্বল থাকলে কেউ সাজুক আর না সাজুক দেখতে কিন্তু বেশ লাগে। তাই সব মেয়েরাই ত্বকের বিশেষ পরিচর্যা করে। প্রাচীনকাল থেকে প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বক উজ্জ্বল করার অনেক পদ্ধতি ব্যবহার হয়ে আসছে। এই পদ্ধতিগুলো অবশ্য বাজারের কেনা ক্রিম থেকে ভালো কাজ করে। নেই কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। ঘরে বসেই এই পদ্ধতি অবলম্বন করা সম্ভব।

তবে চলুন ত্বক উজ্জ্বল রাখতে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি জেনে নেই-
কাঁচা দুধ: ত্বকের ভিতরে যখন পুষ্টির ঘাটতি হয় এবং ত্বকের আদ্রতা হারিয়ে যায় তখন ত্বক কালো ও শুষ্ক হয়ে যায়। এ সময় নিয়মিত কাঁচা দুধের সাহায্যে ত্বকের পরিচর্যা করার পরামর্শ দেন রূপচর্চা বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে অল্প পরিমাণে কাঁচা দুধ নিয়ে মুখে লাগিয়ে কিছু সময় মাসাজ করতে হবে। নিয়মিত ১৫ মিনিট এমনভাবে ত্বকের পরিচর্যা করলে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে চোখে পরার মতো।
কলা : একাধিক স্টাডি অনুসারে, কলায় উপস্থিত রয়েছে ভিটামিন এ, বি, ই এবং পটাশিয়াম, যা ত্বকের ভিতরে প্রবেশ করে ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে ত্বকের গভীরে পুষ্টির ঘাটতিও দূর হয়। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো কলা নিয়ে চোটকে নিতে হবে। তারপর সেই পেস্টটি ভাল করে মুখে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
লেবু ও মধু : ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে মধু ও লেবুর কোনও বিকল্প হয় না। আসলে এই প্রাকৃতিক উপাদানের ভিতরে থাকা একাধিক পুষ্টিকর উপাদান একদিকে যেমন ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি ত্বকের যে কোনও ধরনের দাগও মিলিয়ে যেতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে এক চামচ মধুর সঙ্গে আধ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই পেস্টটি ভাল করে মুখে এবং গলায় লাগিয়ে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
দই: এতে উপস্থিত ল্যাকটিক অ্যাসিড এবং আলফা হাইড্রক্সসিয়াল অ্যাসিড মৃত কোষের স্তরকে সরিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ত্বকের ভিতরে পুষ্টির ঘাটতি যেমন দূর করে, তেমনি ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। এক্ষেত্রে এক বাটি দইয়ের সঙ্গে সম পরিমাণে ওটস মিলিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর তা মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফলতে হবে।
পেঁপে: ত্বককে উজ্জ্বল করতে নিয়মিত পেঁপে দিয়ে বানানো ফেসপ্যাক মুখে লাগাতে হবে। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো পেঁপের সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর তা মুখে লাগিয়ে কম করে ২০ মিনিট ভাল করে মাসাজ করতে হবে। এইভাবে প্রতিদিন ত্বকের পরিচর্যা করলেই ভাল ফল পাওয়া যাবে।
টমাটো: এতে উপস্থিত লাইকোপেন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট একদিকে যেমন ত্বকের ভিতরে ক্ষত সারায়, তেমনি পুষ্টির ঘাটতিও দূর করে। এক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ টমাটোর রসের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে সেটি মুখে লাগাতে হবে। শুধু টমেটো দিয়েও মাসাজ করতে পারেন।
এই পদ্ধতিগুলো মেনে চললে আপনিও পেতে পারেন বাড়িতে বসে সহজেই উজ্জ্বলময় ত্বক।
বর্তমানে গহনার দাম আকাশ ছোঁয়া, সোনার গহনা বানানো দুর্বিসহ, কিন্তু সাজগোজে তো আর ফাঁকি দেওয়া যায়না! তাই নির্ভর হতে হয় বাজারে চলতি জুয়েলারীর উপর। সেক্ষেত্রে “JUNK” জুয়েলারীর জুড়ি মেলা ভার। অফিস পার্টি হোক বা বিয়ে বাড়ি যেকোনো সাজেই “JUNK JEWELLERY” দেবে আপনাকে পারফেক্ট লুক। আর দাম আপনার বাজেটের মধ্যে।

গড়িয়াহাট, হাতিবাগান, এসপ্লেনেডের ফুটপাথ থেকে শপিং করার মজাই আলাদা। আর শপিং করতে গেলাম “জাঙ্ক জুয়েলারী” নেব না তা তো হয়না। ওখানে গেলেই মনে হয় গয়না যেনো হাতছানি দিয়ে ডাকছে।

বর্তমানে JUNK JEWELLERY র অনলাইন বাজার রমরমা। Facebook খুললেই নানান রকম ডিজাইনের জুয়েলারী পেজ, আফগান জুয়েলারী থেকে শুরু করে বিডসের হ্যান্ডমেড জুয়েলারীর সম্ভার। এমনকি মাটির হ্যান্ডমেড গহনাও। যা আপনার লুকে অন্যরকম ছোঁয়া এনে দেবে, আর ঘরে বসে অর্ডার করলেই হোম ডেলিভারি পাবেন।
অন্যদিকে “জাঙ্ক জুয়েলারী” র গহনা পরতে পরতে কালো হয়ে যায়, পছন্দের জুয়েলারী নষ্ট হয়ে গেলে মন খারাপ হবেই। তাই নষ্ট হবার আগে যত্ন নিন। তার কিছু টিপস নিচে দেওয়া হলঃ
(১) টুথব্রাস বা টুথপিক দিয়ে পরিষ্কার করুন কালো দাগ অংশ গুলো।
(২) লেবু বা ভিনিগারের সাথে জল মিশিয়ে আপনার পছন্দের গহনা গুলি পরিষ্কার করুন।
(৩) অক্সিডাইসড গহনা ছাড়া অন্য ধরনের গহনার জন্য লিকুইড হ্যান্ড সোপ, বেবি শ্যাম্পু বা টুথপেস্ট ব্যবহার করুন।

তাই আর দেরি না করে আপনার পুজোর জুয়েলারী কালেকশন শীঘ্রই বাড়িয়ে ফেলুন।

নারী তুমি জীবনের আধার।
যুগ যুগ ধরে গর্ভ থেকে মিলেছে নূতন জীবন।
জন্ম দিয়েছ দেব-অশূর-মানব।
নারী তুমি মাতৃরূপে স্নেহময়ী।
তোমার স্নেহে ঘুঁচে সন্তানের সকল দুঃখ।
তোমার কোলে আছে পৃথিবীর সকল শান্তি।
নারী তুমি গৃহীনীরূপে দশভুজা।
সূর্যাদয় থেকে সূর্যাস্ত, নিত্য করে চলো সংসার ধর্ম পালন।
সন্তান-সন্ততি পতি আর সকলের অশ্রু নিবৃতা।
নারী তুমি কখনো আদিশক্তি রূপে অশূর সংহারিনী।
বাঁচিয়েছ দেবকুল।
নারী তুমি সহ্যশীল।
অতীতে মুখ বুঝিয়া সহ্য করেছ পুরুষ তান্ত্রিক নিয়ম শৃঙ্খল।
কীশোর বেলা ধরেছ সংসারের হাল।
দেখেছ জগৎ ঘরের চার দেওয়াল।
আবার কখনো ছেলেবেলা পুতুল ছেড়ে আপন করেছ বৃদ্ধ পতি।
নারী তুমি আজ পুরুষ সমতুল্য।
নিজেকে করেছ যোগ্য,
পুরুষের সাথে মিলিয়েছ তালে তাল।
বাড়ির সীমানা পার করে বাড়িয়েছ পা।
নিজের বিচারে সকল পেশায় হয়েছ ব্রতি,
পুরুষ দিয়েছে আজ তোমার যোগ্যদান।
তুমি অতীত থেকে বর্তমান
একই ভাবে বিরাজমান।
কালের নিয়মে তোমার ভবিষ্যত হবে আরো জ্বোতিমান।
This is an example post, originally published as part of Blogging University. Enroll in one of our ten programs, and start your blog right.
You’re going to publish a post today. Don’t worry about how your blog looks. Don’t worry if you haven’t given it a name yet, or you’re feeling overwhelmed. Just click the “New Post” button, and tell us why you’re here.
Why do this?
The post can be short or long, a personal intro to your life or a bloggy mission statement, a manifesto for the future or a simple outline of your the types of things you hope to publish.
To help you get started, here are a few questions:
You’re not locked into any of this; one of the wonderful things about blogs is how they constantly evolve as we learn, grow, and interact with one another — but it’s good to know where and why you started, and articulating your goals may just give you a few other post ideas.
Can’t think how to get started? Just write the first thing that pops into your head. Anne Lamott, author of a book on writing we love, says that you need to give yourself permission to write a “crappy first draft”. Anne makes a great point — just start writing, and worry about editing it later.
When you’re ready to publish, give your post three to five tags that describe your blog’s focus — writing, photography, fiction, parenting, food, cars, movies, sports, whatever. These tags will help others who care about your topics find you in the Reader. Make sure one of the tags is “zerotohero,” so other new bloggers can find you, too.