বর্ষার হাত থেকে চুল বাঁচান।।

প্রবল গরমের পর বর্ষা এলে কার না ভালো লাগে! কিন্তু বর্ষাতে স্বস্তির সাথে আবার চিন্তার বিষয় হয়ে ওঠে চুলের সমস্যা। তাই দেরি না করে ত্বকের সাথে চুলের যত্ন নেওয়া শুরু করুন…

ছবির সৌজন্যে- ইন্টারনেট

চুল শুকনো রাখুন
বৃষ্টির জল থেকে চুল বাঁচিয়ে রাখুন। কারণ বৃষ্টির জলে প্রচুর অ্যাসিড উপাদান থাকে, নোংরাও থাকে প্রচুর। তাই একান্ত ঝামেলায় না পড়লে বৃষ্টির জল চুলে না লাগতে দেওয়াই বাঞ্ছনীয়। বড়ো ছাতা বা হুড দেওয়া রেনকোট ব্যবহার করুন। যদি কোনওভাবেই বৃষ্টির জল এড়াতে না পারেন, তা হলে বাড়ি ফিরে শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার লাগিয়ে নেবেন।

সপ্তাহে দু’বার শ্যাম্পু করুন
কোমল, ডিপ ক্লেনজ়িং শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধীরে ধীরে মাসাজ করবেন, যাতে বৃষ্টির জলের কোনও নোংরা চুলে থেকে না যায়। এই মরশুমে চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক, তাই ভালো শ্যাম্পু দিয়ে সপ্তাহে দু’বার চুল ধুয়ে ফেলুন। তাতে চুল পুষ্টি পাবে, ছত্রাক বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও হতে পারবে না।

নিয়মিত তেল মাসাজ দরকার
চুলে তেল লাগালে শুষ্কতা দূর হয়, ডিপ কন্ডিশনিংয়ের সুফলও মেলে। তবে অতিরিক্ত তেল লাগাবেন না, পরিমাণমতো তেল চুলে লাগিয়ে সারা রাত রেখে পরের দিন শ্যাম্পু করে নেবেন।

চুল শক্ত করে বেঁধে রাখবেন না
মরশুমের এই সময়টায় চুল বেশি বাঁধলে ভিতরে আর্দ্রতা জমে থাকে, চুল ন্যাতানো দেখায়। চুল মুখে পড়লে একটা টপ নট বা একটা আলগা বিনুনিই যথেষ্ট। একটানা অনেকক্ষণ চুল বেঁধে রাখবেন না।

সঠিক চিরুনি ব্যবহার করুন
মোটা দাঁড়ার চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ান, তাতে জট ছাড়ানো সহজ হবে। কন্ডিশনার লাগানোর পরেও চিরুনি দিয়ে চুলের জট ছাড়িয়ে নিন, তাতে গোটা চুলে সমানভাবে কন্ডিশনার ছড়িয়ে যেতে পারবে।

অতিরিক্ত কন্ডিশনার নয়
চুলের দৈর্ঘের মাঝামাঝি অংশ থেকে শেষভাগ পর্যন্ত কন্ডিশনার লাগান, তবে অতিরিক্ত কন্ডিশনার লাগানোর দরকার নেই। ঠান্ডা জল দিয়েই চুল ধোবেন।

চুল কেটে ফেলুন
এই সময়টাই চুল কেটে ফেলার পক্ষে সবচেয়ে ভালো। তাতে বাড়তি ঝামেলা মিটবে, চুলের শেপও সুন্দর থাকবে।

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started