
নারী তুমি জীবনের আধার।
যুগ যুগ ধরে গর্ভ থেকে মিলেছে নূতন জীবন।
জন্ম দিয়েছ দেব-অশূর-মানব।
নারী তুমি মাতৃরূপে স্নেহময়ী।
তোমার স্নেহে ঘুঁচে সন্তানের সকল দুঃখ।
তোমার কোলে আছে পৃথিবীর সকল শান্তি।
নারী তুমি গৃহীনীরূপে দশভুজা।
সূর্যাদয় থেকে সূর্যাস্ত, নিত্য করে চলো সংসার ধর্ম পালন।
সন্তান-সন্ততি পতি আর সকলের অশ্রু নিবৃতা।
নারী তুমি কখনো আদিশক্তি রূপে অশূর সংহারিনী।
বাঁচিয়েছ দেবকুল।
নারী তুমি সহ্যশীল।
অতীতে মুখ বুঝিয়া সহ্য করেছ পুরুষ তান্ত্রিক নিয়ম শৃঙ্খল।
কীশোর বেলা ধরেছ সংসারের হাল।
দেখেছ জগৎ ঘরের চার দেওয়াল।
আবার কখনো ছেলেবেলা পুতুল ছেড়ে আপন করেছ বৃদ্ধ পতি।
নারী তুমি আজ পুরুষ সমতুল্য।
নিজেকে করেছ যোগ্য,
পুরুষের সাথে মিলিয়েছ তালে তাল।
বাড়ির সীমানা পার করে বাড়িয়েছ পা।
নিজের বিচারে সকল পেশায় হয়েছ ব্রতি,
পুরুষ দিয়েছে আজ তোমার যোগ্যদান।
তুমি অতীত থেকে বর্তমান
একই ভাবে বিরাজমান।
কালের নিয়মে তোমার ভবিষ্যত হবে আরো জ্বোতিমান।